<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বই আর বই &#187; আগামী প্রকাশনী</title>
	<atom:link href="http://boirboi.com/category/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%95/%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a7%80/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://boirboi.com</link>
	<description>বাংলাদেশের বইয়ের জগত</description>
	<lastBuildDate>Wed, 07 Apr 2010 07:34:29 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.9.2</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>জিয়ল জখম</title>
		<link>http://boirboi.com/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%b2-%e0%a6%9c%e0%a6%96%e0%a6%ae/</link>
		<comments>http://boirboi.com/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%b2-%e0%a6%9c%e0%a6%96%e0%a6%ae/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 07 Apr 2010 01:17:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[আগামী প্রকাশনী]]></category>
		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>
		<category><![CDATA[শামীম আজাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=673</guid>
		<description><![CDATA[প্রচ্ছদ : পীযুষ দহিমশদার
বাংলামাটি, এপ্রিল ২০১০ সংখ্যায় মিলটন রহমান বইটি নিয়ে নীচের আলোচনা লিখেছেন:
ক.
’এই জগতের যে কোন বস্তুই কৃষ্ণগহ্বর হয়ে উঠতে পারে। আবার এই মহাজগৎটাই কৃষ্ণগহ্বরের অভ্যন্তরে অবস্থিত।’ স্টিফেন হকিং-এর এ কথায় কবিতার আলোচনা শুরু করা যাক। দৃশ্যতঃ কৃষ্ণগহ্বরের ভিতর বসেই আমরা নিয়ত খুঁজছি দূরের কৃষ্ণগহ্বরের ইঙ্গিত। যেখানে শূন্যতাও একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে [...]


Related posts:<ol><li><a href='http://boirboi.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%99%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81/' rel='bookmark' title='Permanent Link: অন্ধের আঙুলে এত জাদু'>অন্ধের আঙুলে এত জাদু</a></li>
<li><a href='http://boirboi.com/%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be-%e0%a6%b8/' rel='bookmark' title='Permanent Link: পূর্ণবৃত্ত: মহাদেব সাহা সংখ্যা'>পূর্ণবৃত্ত: মহাদেব সাহা সংখ্যা</a></li>
</ol>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>প্রচ্ছদ : পীযুষ দহিমশদার<br />
<a href="http://www.banglamati.net/april-10/book.php" target="_blank">বাংলামাটি, এপ্রিল ২০১০ সংখ্যায় মিলটন রহমান বইটি নিয়ে নীচের আলোচনা লিখেছেন</a>:<br />
ক.<br />
’এই জগতের যে কোন বস্তুই কৃষ্ণগহ্বর হয়ে উঠতে পারে। আবার এই মহাজগৎটাই কৃষ্ণগহ্বরের অভ্যন্তরে অবস্থিত।’ স্টিফেন হকিং-এর এ কথায় কবিতার আলোচনা শুরু করা যাক। দৃশ্যতঃ কৃষ্ণগহ্বরের ভিতর বসেই আমরা নিয়ত খুঁজছি দূরের কৃষ্ণগহ্বরের ইঙ্গিত। যেখানে শূন্যতাও একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। জগতের গতি শক্তি যতই মন্থর হয়ে আসে ততই ভারী হয় শূন্যতা। তবে অনুসন্ধানে শূন্যতা-ঝামর-স্থান নির্মান করে অর্থদ্যোতনা। বাজে শঙ্ক-নিনাদ। শূন্যতার আয়োজনে জেগে ওঠে মোহন সময়; সমতায়। কৃষ্ণ-মোহন কিংবা গ্রহণ কালের একজন কবি যখন বলেন-</p>
<p>’আর এখন উড়ছে কেবল বালিহাঁস, পাতিহাঁস<br />
রন্ধ্রে রন্ধ্রে সজারুর মোহন কাঁটা<br />
জ্বলে চিত্ত জ্বলে রাগ<br />
জ্বলে সুগন্ধ বরাত<br />
অংগার ভেঙে ঢলে পড়েছে গুল্ম নির্যাস।’(নওবত/শামীম আজাদ)</p>
<p>আবার পড়ে নিই-</p>
<p>’পূর্ণ আপেলের গ্রামে ঝুলিতেছি<br />
প্রমত্ত ঝিনুকে জল কাটিতেছি<br />
শ’য়ে শ’য়ে পাথর গলে<br />
হয়ে গেছে পৌরানিক মানব<br />
সেই থেকে<br />
বসে আছি মেঘের ওপর<br />
দেহগত নুনে আর পলির ফাগুনে!’(জিয়ল জখম/চিহ্ন/শামীম আজাদ)</p>
<p>’জিয়ল জখম’-এর কবি শামীম আজাদ। ছত্রে ছত্রে ছড়িয়েছেন নিকট এবং দূরগামী সূর্যাস্তের তীব্র অথচ য়িষ্ণু রেখা, প্রযতœ সময়ের প্রতিভাষ, খণ্ডের সাথে অখণ্ডের এবং প্রকল্পতায় আলো-অন্ধকারে এঁকেছেন বিপরীত-জ্যোতির্ময় কোরাস।</p>
<p>এখন কবিতার পাঁজর খুলে দেখার সময়। অন্যজন কি রচনা করেছেন, সে তুলনায় না গিয়ে বরং কবি এবং তাঁর কবিতার পোষ্টমর্ডেম হওয়াই জরুরী মনে করি। কেননা এখন বিজ্ঞান- কবিতা-দর্শনের সম্পর্ক পরস্পরলগ্ন। কবির চিন্তা-দর্শন বিচারে বিজ্ঞান পরীাগার হতে পারে। এ প্রক্রিয়ায় বিচার্য্য কবি এবং কবিতা। যদিও একজন কবি দার্শনিক নন, তাঁর পরিচয় ’কবি’। কবিতার ’রস’ চিহ্নিত করনে বিজ্ঞান এবং দর্শনোপনীত হওয়া দরকার বলে আমি ভাবতে চাই<br />
খ.<br />
গ্রন্থের ত্রিশ পৃষ্ঠার ’ছায়াগুচ্ছ’ আলাদা আলোচনা করতে চাই। গুচ্ছ পরম্পরায় প্রেমপ্রবর্তনা এবং সময় নিপাতনে সিদ্ধ হয়ে নির্মিত হয়েছে কবিতা। প্রায় সব ক’টি তে জ্ব’লে উঠেছে সুনীল-রঙিন কাতরতা ।</p>
<p>’অচিরেই হবো মীন<br />
ঘুমাবো জলের নগর<br />
পিঠ ভরা চুল খুলে<br />
রঙধনু আঁশ মেলে<br />
জলের তপস্যা কলরব।</p>
<p>উঠান পিড়িতে দাঁড়াবে<br />
এসো পূর্ণিমা কিশোর।’(জিয়ল জখম/ছায়াগুচ্ছ-৩)</p>
<p>স্মৃতি উগরে দেবার প্রবনতা কবিতার মজ্জায় চির ধরায়। ভেঙে ফেলে যাবতীয় করণ-কৌশল। কবিতার জাত শত্রু বলে আধুনিক কবিতায় স্মৃতি-ভ্রমন-বৃত্তান্ত অত্যাল্প। অথচ কবি সে পথ পদ চিহ্ন হীন রাখেন নি।</p>
<p>’মানুষ চলে গেলে<br />
পালক ফেলে যায়<br />
জ্ঞাতি চিহ্ন খুঁড়ে খুঁড়ে<br />
পরশ বুলায়।( জিয়ল জখম/ছায়াগুচ্ছ-৪)</p>
<p>অথবা ছায়াগুচ্ছের বাইরে থেকে যদি পড়ি-</p>
<p>বিভার ছুরিতে শানে শৈশব<br />
জীবন, জামালপুর<br />
তুলট কাগজ স্বাদ<br />
আর প্রথম মতিচূর&#8230;.’(জিয়ল জখম/সোনার সেমিজ)</p>
<p>কবি এখানে নৃতাত্ত্বিক। মৃত্তিকার সন্তানেরা ক্রম-বিবর্তনে নিজের অবস্থানে স্মৃতি চিহ্ন খুঁড়ে এভাবে দাঁড়ায়। স্মৃতি-বর্ণিত এ ক্যানভাস কাব্য-নন্দন বর্জিত নয়। আপাত সংকেত থেকে কবি নিজেকে যোগ্য করে তুলেছেন এখানে।</p>
<p>’ছুঁয়ে দেখো সৃষ্ট ওম প্রতিজ্ঞা<br />
আমার, কবোষ্ণ মন্দিরা<br />
ছোঁয়া পেলে শানিত হবো<br />
কলঙ্ক অভিধা’(জিয়ল জখম/ ছায়াগুচ্ছ-১৪)</p>
<p>ছায়াগুচ্ছের রক্তে উন্মত্ত-সঞ্চারী প্রেমনাদ এভাবে গীতলতায় অভিষিত হলো। কলঙ্ক অভিধা জেনেও জানালো নিজের মনস্তাপ। কবি কে আরো পড়ি এভাবে-’ কান্ত পিপড়েরা কি রতিক্রিয়া করে/এক জনমে ওষ্ঠাধর কত জখম ধরে? অথবা, ’ আধো রাত সরে গেলে/খোঁজো কার লতিকায় দূল?’ ছায়াগুচ্ছের শরীরে বিরাজিত য়, মৃত্যু, প্রেম এবং প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির সুর।<br />
গ.<br />
কবি শামীম আজাদ কবিতায় অবস্থান চিহ্নিত করেছেন দৃষ্টি সীমার বাইরে অসীমতায়। বৃত্তে আবর্তিত ঘূর্ণায়ন কেন্দ্র থেকে নিরুদ্দেশ মূখী নিজেকে তিনি আবিষ্কার করেন। প্রথমে অবস্থান প্রশ্ন বোধক হলেও-</p>
<p>’তবেই সিদ্ধান্ত নেবো<br />
কোথায় গ্রথিত হবো<br />
বাতাসে না নদে<br />
না চৌষট্টি চারুকলা দলে<br />
জলিষ্ণু জামালপুরে&#8230;..(জিয়ল জখম/জিয়ল জখম)</p>
<p>ঠিক কিছু কাল পরে কবি জেনে যান কোন নিরুদ্দেশে মেলেছেন পেখম-</p>
<p>’তুই মধ্যম<br />
আমি মধ্যমা<br />
আমি এন্তার গঙ্গা সিন্ধু<br />
তুই নর্মদা বিশুদ্ধ রক্তকণা<br />
কেউ কি জেনেছে এই অত্যাশ্চর্য খবর<br />
এই অসম্ভব!’</p>
<p>অসীমের পদচিহ্ন এঁকে দিয়ে, জানিয়ে দেন নিজের পূর্বতন অবস্থান এভাবে-</p>
<p>’কখনো কি জানিবে কেহ<br />
একদিন আমাদের সুগন্ধ করেছিলো<br />
হাইবারনেশনে ভেগে আসা<br />
একদল বেহুশ কবিতা<br />
গোলাপী বকুল কথকতা।’ ( জিয়ল জখম/অবস্থান)</p>
<p>’আমি সমগ্রের অংশ নই, সমগ্রের সঙ্গে সম্মিলিত নই, সমগ্রের মধ্যে গৃহীত নই।’ স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দার্শনিক সোরেন কিকগার্ড এভাবে বন্ধন হীন অসীম এর কথা বলেছিলেন। সেই থেকে বোধ করি আধুনিক বিচ্ছিন্নতা বোধের আরম্ভ। যে বোধ রোমান্টিকতা, বাস্তবতার বীজ বুনে দেয় চিন্তন ভূমিতে। সেই ভূমি চিন্তার কবি শামীম আজাদ অলৌকিক ডানায় বয়ে ’জিয়ল জখম’-এ জানিয়ে দেন নিজের ’অবস্থান’।</p>
<p>ঘ.<br />
একজন কবি’র জন্য সময় খন্ডিত করা জরুরী বলে জানি। তারও চেয়ে জরুরী খন্ডিত সময়ের খোল-নলচে খুলে খচিত সুবর্ণ তিলক এবং দগদগে ত চিহ্নিত করা। এ প্রক্রিয়ায় কাব্যচিত্রক মনন উৎসারিত যে ভাষিক জমিন তৈরী করেন তা হয়ে ওঠে কবিসময়ের বিস্তারিত ইলাস্ট্রেশন। কবি যখন বলেন-<br />
’পূর্ণিমার বাগান খুঁড়ে তুলে নেবো মুঠো পাপ&#8230;<br />
পাথর বগলে গাঁথা দুই হাত<br />
হায়! এই নিদয়া চুর ঘোড়া<br />
তবু তুলে নিতে চায় ঘনবদ্ধ<br />
কলিজার থোড়।</p>
<p>মাখিবো সারা অঙ্গে আমি<br />
কুফার কাফন<br />
তোমারে ভ্রমনে নেবো<br />
কোন এক অবধ্য নগর।’(জিয়ল জখম/আকাঙ্খা)</p>
<p>এভাবে আজকের পৃথিবী, নাগরিকতা, সময় এবং ব্যক্তি দহনের কথা বলতে গিয়ে কবি মিশেল ফুকোর পাগলা গারদের মত ঘিরে রাখেন পাঠককে। ’জিয়ল জখম’- এর পুরো শরীরে ছোপ ছোপ রক্তের ছাপ। মাটির উপরে সচল যে ক্রিয়া; তার আমূলে নিয়ত বিধে যাওয়া তীরের ফলা, যা কিনা তীব্র আকাঙ্খায় কুড়িয়ে নেয়া। অনবরত খসে খসে শূন্যে মিশে যেতে ধ্যানস্ত কবি কে আরেকবার পড়ে নিই-</p>
<p>’হাড় ও কলিজা চেরা<br />
উত্তরীয় উজান<br />
কখনো নিই না তার নাম<br />
তবু, কন্টক মন্দিরা বাজে<br />
মৃত্যু সমান।’(জিয়ল জখম/স্থপতির স্তুতি)</p>
<p>’মৃত ঘোড়া আর মরুর প্রলয় বুকে ছুটিতেছি<br />
কোথায় লুকাই হায়<br />
দেহের অধিক এ ব্যাপক প্রণয়&#8230;’(অšে¦ষা)</p>
<p>’যে আমারে এখনো<br />
দেখো বর্ষার ফল<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
মনে করাতে পারি<br />
তোমাকেও চুড়ান্ত আকাল</p>
<p>তাহারে কি করে<br />
বাগানে প্রতঃরাশ সেরে<br />
তীব্র দ্বিপ্রহরের ঠোঁট দিয়ে চেড়ো!’(অবিশ্বাস)</p>
<p>’প্রতি রোমকূপে পরাজিত ঝড়<br />
পাঁজরের প্রতি মোড়<br />
জানে কি এ দেহ<br />
দ্রোহ ও দাহ সহবাসী<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
উত্তাল কাল<br />
কেন ফলিবে না<br />
এ বিদির্ণ শবের গভীরে!’(একেশ্বরী)</p>
<p>এ কবিতাগুলোর সাথে প্রায় সমান্তরাল পড়ে নেয়া যায় ’থেরাপিউটিক’, ’চন্দ্রভাষ্য’, ’হতাশা’, ’চলাচল’, ’প্রবাহ’ ’খুদের নগর’, ’লন্ডিনিয়াম’, ’দিকভ্রান্তি’ ’নাই’, এবং ’পোকা ও পাখোয়াজ’ ও অন্যান্য। কবি ব্যদনা-রস মিশ্রিত চোখ ফেলেছেন প্রতিভাষ পৃথিবীতে। আবিষ্কার করেছেন কৃষ্ণগহ্বর অভ্যন্তরে শূন্য অন্ধকার, জগতের বহুমাত্রিক ছন্দ-রূপ। কবি এসব অনুসন্ধান করেছেন খন্ড খন্ড সময়ের মধ্যে। তাই কবিতাগুলো আধুনিকান্তিকতারই চোখে হয়ে উঠেছে নানা ভাবে অর্থবহ। আমি তাঁর অনুরক্ত পাঠক হিসেবে বলতে পারি, শুধূ ভাষার আধুনিকত্বের কারণে নয়, বরং দর্শন, চিন্তা এবং কবিতার সম্মিলিত সঙ্গীতে কবিতাগুলো পাঠকের সঙ্গে দীর্ঘ সহবাসের দাবী রাখে।<br />
ঙ.<br />
আবেগ কবিতার প্রাচীনতম সহযাত্রী। ফলতঃ আবেগ কবিতার প্রধানতম রসায়ন। বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে রসদ মিশ্রন ত্র“টি ঘটলেই সৃস্টি ব্যহত হয়। কবিতারসদ-এর েেত্রও একই নিয়ম বলে মনে করি। বিশ্বসাহিত্যে অনেক কবিতা এই মিশ্রন ত্রুটির কারণে পাঠক প্রিয় হয়েও মহাকালীন হতে পারেনি। একজন শিল্পী কে তাই রাস টেনে ধরতে হয় আবেগের। ’জিয়ল জখম’-এ রসদ ব্যবহারে শুনতে পাই কষ্টকল্পের পদধ্বনি। কবি কখনো কখনো আবেগাপ্লুত হলেও তাঁর বোধ ও গভীরতা থেকে একটি একটি হিরক তুলে এনে গেঁথেছেন মালা। এক একটি হিরক টুকরো ধারণ করেছে কবির ক্ষন মৈথুনে উঠে আসা ফ্যাকাশে হলদেটে পাতা, আকাঙ্খা,শোক,দুঃখ এবং বিস্ময়। সুরে বাঁধা যন্ত্র যেমন প্রতিক্ষা করে সুরের জন্য, আলোচ্য কবিও তেমনি এখানে প্রতিক্ষারত কাঙ্খিত ব্যদনার জন্য। এ অভিযাত্রায় বৃহৎ ও ুদ্রের এবং রূপ ও অরূপের সন্ধানে প্রায় আত্মবিলাপে মগ্ন তিনি। মৃত্যুতে ব্যক্তির আত্মবিলোপ ঘটে। তাই বোধ করি ’জিয়লজখম’-এর উৎসর্গে দেখি-’ভোঁ ভোঁ শবের বিছানায়/ পরাজিত মানুষেরা/মাছি হয়ে যায়&#8230;। প্রেম ও ভালবাসায় আত্মবিলোপ ঘটে সত্বার। আর এরই মাধ্যমে সৃষ্টি হয় দ্যুতিময় আত্মসমাহিত হিরক। আসুন ক’টি কবিতা পড়ে চিহ্নিত করি কবির আবেগ-দগ্ধ-ফলন হিরক-</p>
<p>’&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
ঠোঁটের সেগুন দেবো<br />
কবির ভূগোল দেবো&#8230;<br />
দহনের দোহাই লাগে, থাকো<br />
উজানের দেশে নেবো<br />
পক্ষির পালক পাবে<br />
সানকির ওম পাবে<br />
নফল প্রার্থনা হবে<br />
আমারে বিশ্বাস করো<br />
এ মুগ্ধ বিপাকে<br />
তোমারেই দেবো গো আমি এ পূর্ণিমা সকাল’( জিয়ল জখম/শুশ্রƒষা)</p>
<p>’তোমারে শুইয়ে দিবো ইঙ্গল মন্দির ঘরে রে বন্ধু<br />
আর না ঢুকিবে সূতানলী রাইতরে&#8230;.( অনুরোধ)</p>
<p>’কখনো কি এসেছিলে<br />
দীর্ঘ দাঁড়িয়েছিলে<br />
ঐ ধূপ-ধোঁয়া ঘিরে<br />
অঙ্গার বিষ মেখে<br />
কেঁদেছিলে?’ (অনিশ্চিত)</p>
<p>’মনা, কাঁদিবার সবটুকু ক্ষণ নিয়া<br />
সূর্যগত রাতে<br />
তরল নিঃশ্বাসে চাঁদ ভাঙ্গিয়া দিয়া<br />
সুশক্ত শীতের পিঠে<br />
গেছো যে চলিয়া রে&#8230;&#8230;’(&#8230;&#8230;নিঠুর কালিয়ারে)</p>
<p>কবিতার শুরুতে আবেগ উদ্বেল কবি-’এখানেই পাখির ছায়ার নিচে/ঘ্রান ছিলো/চিনিচূড় চম্পা/ রজবের চাঁদ আর রাজা শাইল স্বাদ’ বলে শেষে নিজেকে টেনে ধরেন এভাবে-’কিন্তু/দুধের নহর ছাড়া/বাদ বাকি সবই ছিলো মেদ’(কোমল কঙ্কাল)। অঘ্রানের অন্ধকারে হেঁটে যাওয়া কবির মনোভূমি শামূকচূড় দহনে পুড়তে পুড়তে যখন কবির মনভূমি দীর্ঘ দাঁড়ায়, তখন তাঁকে আমরা চিনে নিই। যিনি মহাকাশকে, বাতাসকে শুনিয়ে যান পাঁজর খোলার দেহলিজ-দহন আলাপ। তখন আর কবির দৃষ্টি থির থাকেনা। আকাশ ফুঁড়ে চলে মহাকাশের দিকে। সে যাত্রা কখনো স্বস্তি দেয় না, ফেলে না শীতল ছায়া। শুধু জানিয়ে দেয় একজন কবির মহাযাত্রা। যে কবি মৃত্যুর পরেও কবিতা তৈরী করবেন!<br />
চ.<br />
শূন্যতা, ক্ষয়, বিরহ, বিরংসা এবং তেজ জগতে অস্তিত্ব সঞ্চার করে। যে শূন্যতা আমি এবং আমরা বহন করি তা-ই অনন্তের অক্ষয় সম্ভাবনা এবং আশংকার চিহ্ন। কবি শামীম আজাদ নিজের সঙ্গে বয়ে যাওয়া গহ্বরের ভিতর কখনো শুনেছেন মোহন-সান্ধ্য বাঁশি, কখনো চিহ্নিত করেছেন নিজের ভেতর হিংস্র নখরে কাটা দগদগে ক্ষত। মোহান্ধ সময়ের করাত কিভাবে চিরে সুবর্ণ সুর। কত ত্যাগিলেও পাওয়া হয় না স্বর্ণালী ভোর, তা কবি ফোটা ফোটা রক্তে এঁকেছেন ’জিয়ল জখম’-এ। আলোচনা শেষ করার আগে আরো ক’টি কবিতা পড়ে নেয়া যায়।</p>
<p>’রক্ত তুফান তোলা পাখি<br />
ঠোঁট রাখো ঘ্রানের ওপর<br />
নাভীমূল থেকে সেঁচে নাও বনাঞ্চল<br />
হাত থেকে ফেলে দাও লবঙ্গের লাল<br />
পাড়ি দাও দাউ দাউ উঠান’(পাথর পরাগ)</p>
<p>’তুমি হাঁটো উত্তরে আর<br />
আমি যে নৈঋতে<br />
জানিয়ো তবুরে বন্ধু<br />
কখোনই কোনো কিরিচ ছিলো না<br />
আমার পিরিতে।’(মধু শয়তান)</p>
<p>’&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
প্রেমাক্রান্ত মেঘেদের ছোটাছুটি<br />
বায়ুর বুননে ভেজা হাত<br />
হাতে লেগে থাকা চান্দের রুহানী<br />
রৌদ্র কচকচে বাড়িঘর<br />
আর আমি নড়ি না কণ্ঠা থেকে এ পা&#8212;’(স্বপ্নায়ন)</p>
<p>’স্নায়ূর পেখম খুলে<br />
জিয়ল জখম রেখে<br />
বসে যেতে চাই স্থির<br />
ক্ষয়িষ্ণু পৃথিবীর শৈশব সেতার’(স্যালি পম্ কেইটন ও শামসুর রাহমান)</p>
<p>’তুলে আনি তুষারের তূণ<br />
ভেঙে খেতে চাই রস জাগানিয়া<br />
মনোহর মেওয়া<br />
লাল লাল সরিষার দানা<br />
সব মীথ’(ইচ্ছা)</p>
<p>’শিথানে তষ্কর পাহাড় ত্যাজে দ্বৈতাচার<br />
পাথরের কাল গলে যায় প্রবল মায়ায়<br />
ইত্যাকার দাবদাহ সকলই বদলায়<br />
চুল হয়ে মেঘ হয়ে বীজ হয়ে কুসুমের সাথে জ্বলে জেগে রয়’(রাত্রিরাগ)</p>
<p>এক টানে ’জিয়ল জখম’-এর কবিতাগুলো পড়া যায়। কবি চিন্তার মত বাক্যরাও ক্ষিপ্র গতির। তাই কিছু কবিতা উদ্বৃত হলো। মোট চুয়ান্ন টি কবিতা এ গ্রন্থে অন্তর্ভূক্ত। আলোচ্য কবিতা বাদ দিয়ে অবশিষ্টগুলোও ব্যাখ্যাত হতে পারে। অতএব ’জিয়ল জখম’ বিষয়ে যে কোন সময় বিস্তারিত গদ্য লেখার ইচ্ছে রাখি। এ গ্রন্থের অন্যান্য কবিতাগুলো হলো- ’অনুপান’, ’অশ্লীল’, ’চৌষট্টি চারুলতা’, ’অনিদ্রা’, ’মনোবাঞ্জা’, ’মূল’, ’পছন্দ’, ’অধিবাস’, ’বন পোড়ে আগে’, ’অবশিষ্ট’, ’দিকভ্রান্তি’, ’নাই’, ’জল-শুশ্রƒশা’, ’পোকা ও পাখোয়াজ’, ’অভিলাষ’, ’অঙ্গ সংস্থান’, ’উপলব্দি’, ’কিশোরীআমানকার’, ’সাম্প্রতিক’, ’অতসী’,’দেহতত্ব’,’বিরহকণা’,’লন্ডিনিয়াম’,<br />
খুদের নগর’, ’জ্বলন্ত বর্ষা’, ’আশংকা’, ’প্রবাহ’, ’চলাচল’, ’হতাশা,’ ’হলদে পাখি’ এবং ’চন্দ্রভাষ্য’।</p>
<p>ছ.<br />
মেদহীন ’জিয়ল জখম’-এর কবিতার শরীর। বাহুল্য বর্জিত বক্র-রৈখিক কাঠামো কবি ভাবনা ধারণ করেছে প্রতিটি আঁশে। কবিতার নামকরণ হয়ে উঠেছে অনুকথায় পুরোকথা। কবিতার শিরোনাম একজন পাঠকের নাকে গন্ধ তুলে দেয় মিশেল মশলার।</p>


<p>Related posts:<ol><li><a href='http://boirboi.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%99%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81/' rel='bookmark' title='Permanent Link: অন্ধের আঙুলে এত জাদু'>অন্ধের আঙুলে এত জাদু</a></li>
<li><a href='http://boirboi.com/%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be-%e0%a6%b8/' rel='bookmark' title='Permanent Link: পূর্ণবৃত্ত: মহাদেব সাহা সংখ্যা'>পূর্ণবৃত্ত: মহাদেব সাহা সংখ্যা</a></li>
</ol></p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%b2-%e0%a6%9c%e0%a6%96%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আহমদ ছফা সঞ্জীবনী &#124;জাতীয় সাহিত্য ১</title>
		<link>http://boirboi.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%ab%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%b8/</link>
		<comments>http://boirboi.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%ab%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%b8/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 27 Feb 2010 11:29:50 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[আগামী প্রকাশনী]]></category>
		<category><![CDATA[এশীয় শিল্প ও সংস্কৃতি সভা]]></category>
		<category><![CDATA[সলিমুল্লাহ খান]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=373</guid>
		<description><![CDATA[আহমদ ছফা সঞ্জীবনী
আহমদ ছফা জাতীয় সাহিত্যের মূল হইতে আসিয়াছিলেন এবংসেখানেই ফিরিয়া গিয়াছেন। আমাদের জাতীয় সাহিত্য হইতে তাঁহাকে আলাদা করা যাইবে না।
১৯৭১ সনের অভিজ্ঞতা আমাদের জাতীয় সাহিত্যের সংজ্ঞা সামান্য বড় করিয়াছে। স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কিংবা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘জাতীয় সাহিত্য’ বলিতে যাহা বুঝাইতেন আজ আমরা ঠিক তাহা বুঝি না, একটু অতিরিক্ত বুঝিয়া থাকি। ইহার নাম ১৯৭১।
১৯৭১ সনের [...]


No related posts.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong><a href="http://boirboi.com/http://boirboi.com/wp-content/uploads/2010/02/373-e1267152032495.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-374" title="373" src="http://boirboi.com/http://boirboi.com/wp-content/uploads/2010/02/373-e1267152032495.jpg" alt="" width="200" height="300" /></a>আহমদ ছফা সঞ্জীবনী</strong><br />
আহমদ ছফা জাতীয় সাহিত্যের মূল হইতে আসিয়াছিলেন এবংসেখানেই ফিরিয়া গিয়াছেন। আমাদের জাতীয় সাহিত্য হইতে তাঁহাকে আলাদা করা যাইবে না।<br />
১৯৭১ সনের অভিজ্ঞতা আমাদের জাতীয় সাহিত্যের সংজ্ঞা সামান্য বড় করিয়াছে। স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কিংবা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘জাতীয় সাহিত্য’ বলিতে যাহা বুঝাইতেন আজ আমরা ঠিক তাহা বুঝি না, একটু অতিরিক্ত বুঝিয়া থাকি। ইহার নাম ১৯৭১।<br />
১৯৭১ সনের যুদ্ধকে কেহ বলেন ‘মুক্তিযুদ্ধ’ কেহ বা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ’। কেহ ইহাকে ‘বিপ্লব’ বলিয়া বিড়ম্বিত করেন না। আহমদ ছফা এই যুদ্ধকে মধ্যে মধ্যে বিপ্লব বলিয়া ভ্রম করিতেন। এইটুকুই হয়তো অতিরিক্ত।<br />
বাংলার জাতীয় সাহিত্য বলিতে তাই আমরা উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম ঊর্ধ্ব অধঃ ছয় বাংলা মাত্র দেখি না। কিংবা বুঝি না শুদ্ধ বৌদ্ধ খ্রিস্টান কি হিন্দু মুসলমান পুরাণ। আমাদের জাতীয় সাহিত্য ইহাদের যোগফলের সামান্য অধিক। এই অধিকই আহমদ ছফার মধ্যে বিশেষ হইয়াছে।<br />
যে পুস্তক পাঠ করিলে ইহা বুঝিতে পারা যায় তাহার নাম <em>আহমদ ছফা সঞ্জীবনী</em>।</p>
<p><strong>জাতীয় সাহিত্য ১</strong><br />
সলিমুল্লাহ খানের লেখা গ্রন্থমালার মধ্যে বাংলায় ‘জাক লাকাঁ বিদ্যালয়’ ও ‘ইতিহাস কারখানা’ আর ইংরেজিতে ‘একবালনামা’। এক্ষণে তাঁহার ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক লেখা লইয়া আরেকটি গ্রন্থমালা। নাম ‘জাতীয় সাহিত্য’।<br />
সাহিত্য যেমন শুদ্ধ সাহিত্য নহে ভাষাও, তেমনি ‘জাতীয়’ মানেও নিছক বাংলা সাহিত্য নহে, স্বদেশি বিদেশি নির্বিশেষে ‘জনসাধারণের’ সাহিত্য। আরো কাদামাখা ভাষায় ‘ছোটলোকের’ সাহিত্য। জাতি বলিতে আমরা সাধারণত ছোটলোক বুঝিয়া থাকি। আমাদের কাছে জাতীয় সাহিত্য মানে তাই ছোটলোকের তথা সাধারণের সাহিত্য।<br />
আহমদ ছফার রচনা কিংবা তাঁহার স্মৃতি লইয়া সলিমুল্লাহ খান অদ্যাবধি যাহা কিছু লিখিয়াছেন তাহা দিয়া জাতীয় সাহিত্য গ্রন্থমালার প্রথম গ্রন্থ আহমদ ছফা সঞ্জীবনী। এই গ্রন্থমালার দ্বিতীয় ও তৃতীয় গ্রন্থ যথাক্রমে <em>বাংলামদ</em> এবং <em>বাংলার মুসলমানি</em> নামে বাহির হইবে বলিয়া আশা করা যায়।<br />
<em>আহমদ ছফা সঞ্জীবনী</em> গ্রন্থে সব মিলাইয়া একুশটি প্রবন্ধ। বিষয়বস্তু অনুসারে এই সংগ্রহের চার ভাগ। রচনার ব্যাপ্তি ৩৩ বৎসর। আহমদ ছফার দুইটি ১৯৭১-প্রবন্ধ হিসাবে ধরিলে ভাগ পাঁচ, ব্যাপ্তি ৩৯।</p>
<p>প্রচ্ছদ: শিবু কুমার শীল</p>


<p>No related posts.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%9b%e0%a6%ab%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>প্রস্তাব</title>
		<link>http://boirboi.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac/</link>
		<comments>http://boirboi.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 27 Feb 2010 11:12:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[আগামী প্রকাশনী]]></category>
		<category><![CDATA[ফরহাদ মজহার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=380</guid>
		<description><![CDATA[

No related posts.


No related posts.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[

No related posts.


No related posts.]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>স্রষ্টার ইতিবৃত্ত</title>
		<link>http://boirboi.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4/</link>
		<comments>http://boirboi.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 27 Feb 2010 11:08:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[আগামী প্রকাশনী]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যারেন আর্মস্ট্রং]]></category>
		<category><![CDATA[দর্শন]]></category>
		<category><![CDATA[শওকত হোসেন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=377</guid>
		<description><![CDATA[

No related posts.


No related posts.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[

No related posts.


No related posts.]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভাষা শিক্ষা ও ভাষাবিজ্ঞান পরিচিতি</title>
		<link>http://boirboi.com/205/</link>
		<comments>http://boirboi.com/205/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 21 Feb 2010 12:01:31 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[আগামী প্রকাশনী]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষাবিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[হুমায়ুন আজাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=205</guid>
		<description><![CDATA[বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে:
“ভাষা বিজ্ঞান একটি তাত্ত্বিক বিষয়। এই বিষয়টিকে হুমায়ুন আজাদ-তাঁর অন্যান্য লেখার ও চিন্তার ক্ষেত্রে যেমনটি করেন-সহজ ও সুখপাঠ্য রূপে এ গ্রন্থে উপস্থাপন করেন। এটি মূলত ভাষাবিজ্ঞান আগ্রহী ছাত্রদের জন্য একটি পরিচিতিমূলক বই। বইটি পাঁচটি ইউনিটে ভাগ করে উপস্থাপন করা হয়েছে। উপস্থাপন করা হয়েছে বাঙলা ভাষার ভাষাবিজ্ঞানীদের ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা। ভাষাবিজ্ঞানের বিশাল অবয়বের [...]


No related posts.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে:</p>
<p>“ভাষা বিজ্ঞান একটি তাত্ত্বিক বিষয়। এই বিষয়টিকে হুমায়ুন আজাদ-তাঁর অন্যান্য লেখার ও চিন্তার ক্ষেত্রে যেমনটি করেন-সহজ ও সুখপাঠ্য রূপে এ গ্রন্থে উপস্থাপন করেন। এটি মূলত ভাষাবিজ্ঞান আগ্রহী ছাত্রদের জন্য একটি পরিচিতিমূলক বই। বইটি পাঁচটি ইউনিটে ভাগ করে উপস্থাপন করা হয়েছে। উপস্থাপন করা হয়েছে বাঙলা ভাষার ভাষাবিজ্ঞানীদের ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা। ভাষাবিজ্ঞানের বিশাল অবয়বের মধ্যে হুমায়ুন আজাদ খুবই সংক্ষিপ্ত পরিসরে প্রাচ্য, বিশেষত বাঙলাভাষার ও ইউরোপীয় ভাষার ভাষাবিজ্ঞানের গুরুতপূর্ণ প্রসঙ্গগুলো তুলে ধরেছেন।”</p>
<p>২.<br />
বইয়ের ভূমিকায় জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ও ভাষাশিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক শামসুন নাহার গফুর লিখেছেন, “…আমাদের গ্রন্থভবন জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চায় অত্যন্ত দীন। এই দীনতার রাজ্যে ভাষাবিজ্ঞান চর্চায় বিশেষ করে চোমস্কি-উত্তর বস্তুনিষ্ঠ তাত্ত্বিক শাস্ত্রটির আলোচনা শুরু করেছিলেন ভাষাবিজ্ঞানী ড. হুমায়ুন আজাদ। বিগত শতকে তাত্ত্বিক ভাষাবিজ্ঞানের আলোচনায় ব্যাপৃত থাকলেও বর্তমান শতকের শুরুতে তিনি ভাষাবিজ্ঞানের ফলিত শাখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও জ্ঞান পিপাসুদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য ভাষার ব্যাকরণ রচনার তাগিদে ড. হুমায়ুন আজাদ লিখতে শুরু করেছিলেন ভাষা ও ভাষাবিজ্ঞান শিক্ষার প্রণালী পদ্ধতির ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ। কিন্তু প্রকৃতির নিষ্ঠুর পরিহাসে ভাষাবিজ্ঞানের প্রায়োগিক শাখায় পদচারণা তাঁর অকস্মাৎই থেমে গেল। পড়ে রইল তাঁর পাঠ-কক্ষের বহুবিধ কাগজপত্র, পাণ্ডুলিপির ভিড়ে যৎসামান্য রচনা। সেখান হতে উদ্ধারকৃত ভাষাশিক্ষা ও ভাষাবিজ্ঞান পরিচিতি নামক পাণ্ডুলিপিটি গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা হল। এটি শিক্ষাদানের প্রায়োগিক সূত্রাবলির আলোকে শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের পদ্ধতি অনুযায়ী পরিকল্পিত ও লিখিত।”</p>


<p>No related posts.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/205/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
