<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বই আর বই &#187; প্রথমা প্রকাশন</title>
	<atom:link href="http://boirboi.com/category/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%95/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%a8/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://boirboi.com</link>
	<description>বাংলাদেশের বইয়ের জগত</description>
	<lastBuildDate>Wed, 07 Apr 2010 07:34:29 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.9.2</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়ভার</title>
		<link>http://boirboi.com/%e0%a6%a4%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f/</link>
		<comments>http://boirboi.com/%e0%a6%a4%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 24 Feb 2010 23:44:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[প্রথমা প্রকাশন]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=357</guid>
		<description><![CDATA[দৈনিক সমকালে ০৫/০২/২০১০ সংখ্যায় মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান নিজের বই নিয়ে যা লিখেছেন:
&#8220;এই বইটি লিখেছি দুই কারণে। প্রথমত, আমি যে কালপরিসরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি, ওই সময়ে সরকার চালাতে গিয়ে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম, তা অনেকেই জানতে চান আমার কাছে। আমার নিজেরও মনে হয়েছে, আমার নিজের কিছু কথা বলা দরকার। নানা [...]


No related posts.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>দৈনিক সমকালে ০৫/০২/২০১০ সংখ্যায় মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান নিজের বই নিয়ে যা লিখেছেন:<br />
&#8220;এই বইটি লিখেছি দুই কারণে। প্রথমত, আমি যে কালপরিসরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি, ওই সময়ে সরকার চালাতে গিয়ে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম, তা অনেকেই জানতে চান আমার কাছে। আমার নিজেরও মনে হয়েছে, আমার নিজের কিছু কথা বলা দরকার। নানা জনের নানা অনুরোধ আসে। ভাবলাম, যে বিষয়টি নিয়ে লিখব, তবে আরও সময় যাক। বিষয়টি একটু স্থিতি লাভ করুক এবং ততদিনে তাৎক্ষণিকতার আবেগও কেটে যাক। তাই ঘটনার প্রায় এক যুগ পর কলম ধরলাম। &#8216;তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়ভার&#8217; প্রথমে লিখি প্রথম আলোর ঈদ সংখ্যায় ২০০৯-এ। সেটা সংক্ষিপ্ত আকারে ছাপা হয়। বই করার সময় কিছু কিছু কাটছাঁট করেছি। পরিবর্তন-পরিমার্জন করেছি কোনো কোনো অংশ। তবে আমি চেষ্টা করেছি, আমার ৯০ দিনের সরকারের যাবতীয় ঘটনাপ্রবাহ যথাযথভাবে তুলে ধরতে। বিশেষ করে ২০ মে ১৯৯৬ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সেনাবাহিনী প্রধানকে বহিষ্কার-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া এবং যেসব পরিস্থিতি উদ্ভব হয়েছিল, তার সার্বিক বিশ্বস্ত বর্ণনা আমি দিয়েছি। সরকারপ্রধান হিসেবে আমার যা করা কর্তব্য, তা যথাযথভাবে পালনের প্রয়াসসহ বিশদ ঘটনাবলি আমি এ বইয়ে লিপিবদ্ধ করেছি।<br />
এ বইটি লেখার জন্য যেসব তথ্য-উপাত্ত প্রয়োজন, তা শুরু থেকেই আমি সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। বহু কাগজপত্র, বক্তৃতা, সংবাদপত্রের সংবাদ, মন্তব্য, রেডিও-টিভির বক্তব্য ও আলোচনাসহ গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট তথ্যাদি আমি ব্যবহার করেছি &#8216;তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়ভার&#8217; রচনার জন্য। লেখাটি যখন ঈদ সংখ্যায় লিখি তখন এর কোনো অধ্যায় বিভক্ত করিনি। একটানা ছাপা হয়েছে। কিন্তু বই আকারে যখন প্রকাশ হচ্ছে, তখন বিভিন্ন অধ্যায় বিভাজন করা হয়েছে এবং ১৯টি শিরোনামে লেখাগুলো সংকলিত হয়েছে।<br />
এ বইয়ের শুরুটা হয়েছে সরকারপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের বেশ আগে থেকেই। বলা যায়, অনেকটা প্রেক্ষাপটের মতো ব্যাপার আর কী। আর উপসংহার বা শেষ করেছি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমার ধারণা তুলে ধরার মধ্য দিয়ে। এ অংশটির শিরোনাম দিয়েছি &#8216;তত্ত্বাবধায়ক সরকারতত্ত্ব ও তার ভবিষ্যৎ&#8217;। একটি অধ্যায়ের শিরোনাম আছে &#8216;অভিনব দায়&#8217;।<br />
এ বইটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বিবরণ হলেও এর মধ্য দিয়ে একটি সময় খুঁজে পাওয়া যাবে, যে সময় বাংলাদেশের আর্থসামাজিক-রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ধারণ করে আছে। অতীত হয়ে গেলেও তা ইতিহাসের কিছু উপাদান হয়ে থাকবে হয়তো। প্রায় ৩০০ পৃষ্ঠার কাছাকাছি এ বইয়ের পরিশিষ্ট অংশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে আমি যেসব ভাষণ দিয়েছি, সে ভাষণগুলো মুদ্রিত হয়েছে। এ ছাড়া অ্যালবাম অংশে মুদ্রিত হয়েছে ওই সময়ের সরকারি কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ছবি। বিভিন্ন গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারসহ নির্ঘণ্ট, গ্রন্থপঞ্জিসহ যাবতীয় টুকিটাকি তথ্যও উপস্থাপন করা হয়েছে।&#8221;</p>
<p>প্রচ্ছদ: শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী।</p>


<p>No related posts.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/%e0%a6%a4%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>অন্ধের আঙুলে এত জাদু</title>
		<link>http://boirboi.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%99%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81/</link>
		<comments>http://boirboi.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%99%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 24 Feb 2010 01:41:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[কবিতা]]></category>
		<category><![CDATA[প্রথমা প্রকাশন]]></category>
		<category><![CDATA[মহাদেব সাহা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=303</guid>
		<description><![CDATA[দৈনিক সমকালের ১৭/০২/২০১০ সংখ্যায় মহাদেব সাহা নিজের বই নিয়ে যা লিখেছেন:
জীবনের সকল অনুভূতির কথা বলতে চাই
আমাকে ঠিক গ্রন্থ-প্রণেতা বলা যায় না; আমি পরিকল্পিত বই লিখি না, দুই-চার লাইন কবিতা লিখি। ছড়ানো-হারানো এইসব কবিতা কুড়িয়ে একত্র করি, তাকে বরং বলা যায়, ভাবের খাতা, ভাবনার বই নয়। এই লেখাগুলোই মুদ্রণ ও শিল্পীর সৃজনশীলতায় বই হয়ে ওঠে। আমি [...]


No related posts.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>দৈনিক সমকালের ১৭/০২/২০১০ সংখ্যায় মহাদেব সাহা নিজের বই নিয়ে যা লিখেছেন:<br />
<strong>জীবনের সকল অনুভূতির কথা বলতে চাই<br />
</strong>আমাকে ঠিক গ্রন্থ-প্রণেতা বলা যায় না; আমি পরিকল্পিত বই লিখি না, দুই-চার লাইন কবিতা লিখি। ছড়ানো-হারানো এইসব কবিতা কুড়িয়ে একত্র করি, তাকে বরং বলা যায়, ভাবের খাতা, ভাবনার বই নয়। এই লেখাগুলোই মুদ্রণ ও শিল্পীর সৃজনশীলতায় বই হয়ে ওঠে। আমি অবাকই হই, কখন লিখলাম এই বই? আমার কল্পনার মধ্যে বই থাকে না, থাকে পদ্য, থাকে পঙ্ক্তি, থাকে শব্দ, থাকে কিছু অনুভব। কবিতা লেখকের জন্য গ্রন্থকারের দাবি বোধ হয় ঠিক নয়। তাই আমি আমার কবিতা বলতে পারি, আমার বই বলা কি যায়, বলা কি উচিত? তবু পাকে-চক্রে আমি বই-প্রণেতা, আমারই বই বলি, প্রকাশিত গ্রন্থ বলি, বলে হয়তো সুখ পাই, এই সুখটুকুই তো কবির পুরস্কার। তা-ই নিয়েই পরম আনন্দে মেতে থাকি। বছর বছর এমনি হয়। বই লিখি না আমি, তবু বের হয় আমার বই। কী বলা যায় এই বই নিয়ে, এ তো আমার পরিকল্পিত বিন্যস্ত ভাবনারাশি নয়; এ হচ্ছে পদ্য, কবিতা। যখন যা মনে এসেছে, তা-ই লিখেছি, গদ্যে তার তা ব্যাখ্যা করা প্রায় সাধ্যাতীত। আমি কাজ করি কবিতার আড়ালের মধ্যে, সেখানে স্পষ্ট বলে কিছু নেই, অন্ধের চোখে যা দেখা যায়, তা-ই হচ্ছে কবিতা। দিনে দিনে ধরাছোঁয়ার বাইরে তা আমার মধ্যে অঙ্কুরিত হতে থাকে। চোখ মেলে আমি তার মুখ দেখতে পাই না, চোখ বুজে তা দেখতে পাই, স্বপ্ন থেকে, আকাশ থেকে পাওয়া বিমূর্ত অবয়বহীন প্রতিমা; আমার দুই চোখ ছেয়ে আছে, সারা মন ভরে আছে, আমি দেখতে পাই, দেখাতে পারি না, বুঝতে পারি, বোঝাতে পারি না_ এই তো আমার কবিতার বই। এবারের অন্ধের এই স্বপ্নখাতাটির নাম &#8216;অন্ধের আঙুলে এত জাদু&#8217; কী বলা যায় এর বিষয়, এর অর্থ? জিজ্ঞেস না করলে আপন মনে বলতেই পারি, জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলতে পারি না, যেমন বলেছিলেন সেইন্ট অগাস্টাস। কবির জন্য তো তা আরও বেশি সত্য, রূপ দেখতে পাই, স্বরূপ বলতে পারি না। এক কথায় তাকে নাম দিতে পারি সৌন্দর্য-প্রতিমা, স্বপ্ন-প্রতিমা। বলতে চাইলে বলতে তো পারিই বহু কথা, বিষয়, আঙ্গিক, নতুন চিন্তা, ছন্দ, প্রকরণ, তার অভিনবত্ব, তার নির্মাণশৈলী, তার সানুপুঙ্খ বিবরণ, কিন্তু তা প্রকৃত সত্য নয়, অর্ধসত্য কিংবা বানানো বর্ণনা। কবির পক্ষে নিজের রচিত কবিতা নিয়ে এর বেশি কিছু বলার নেই, বলা ঠিক নয়। দিবারাত্রি হঠাৎ জেগে-ওঠা কত মুহূর্ত, কত বিদ্যুৎঝলক, কত আত্ম-উন্মোচন, তার বিশদ বিবরণ হয় না। কবিতার জন্ম হয় মনে, বাইরে আড়ালহীন গদ্যে তার প্রকাশ প্রায় অসম্ভব। করতে হয়তো পারি-ই, লেখা হয়তো যায়-ই পাতার পর পাতা, দিন-তারিখ-সময়, কোথায় লিখলাম, কেন লিখলাম, এইসব অজানা কথা, কিন্তু তার সব কি আমিই জানি? জানি না, আসল সত্য জানি না, এই না-জানা মুহূর্তের নাম কবিতা, কবিতার জন্মপঙ্ক্ত। কোন মুহূর্তে কীভাবে পেয়ে গেছি কোন পঙ্ক্তি, কীভাবে মনের মধ্যে জেগে উঠেছে এই মেঘ-রৌদ্র এই আলো-অন্ধকার, এই বর্ষা-বসন্ত আমি তাকে বলতে চাই অন্ধের আঙুলে ফোটা জাদু, জাদুর ফুল, এটুকুই মাত্র। আমার প্রিয় পাঠকেরা যাকে বলবেন আমার এবারের কবিতার বই, তাকে নিয়ে, এই লজ্জা নিয়ে, এই জানা-অজানা নিয়ে, এই স্বপ্ন-রহস্য নিয়ে যদি বলি এই আমার সব কথা, সব বলা, তা হলে কি ভুল হবে? কোনো মূর্তি আমার চোখের সামনে ছিল না, চোখের ভেতরে ছিল, এই তো আমার জীবনের সব না-বলা কথা, এই তো আমার সেই আশ্চর্য মুহূর্ত, আমি জোড় হাতে বহু দিনরাত্রি, কোটি কোটি বছর হয়তো তারই জন্য অপেক্ষা করে থাকি। আমার কবিতা কোনো সুস্পষ্ট-সুনির্দিষ্ট বক্তব্য তো নয়, এ হচ্ছে বৃক্ষহীন ছায়া-গাছের ফুল, সরোবরহীন মায়া-সরোবরের জল, আকাশহীন অনন্তের শিশির, এসবই আমার কবিতা, এসবই আমার এবারের কবিতার বই। এর বেশি স্পষ্টীকৃত করার উপায় নেই। সেই দুঃখ, সেই পরাজয়, সেই জয়, সেই আনন্দ কিন্তু হয়তো অভিনব, হয়তো নতুন, হয়তোবা নতুন নয়, তারপরও সে আমারই মনে জেগে-ওঠা ভোর, নতুন জগৎ। না, না, আর কিছুই বলা ঠিক হবে না নিজের বই নিয়ে, নিজের লজ্জা নিয়ে। আমার বই কোনো বই নয়, কিছু ছড়ানো ভালোবাসা, কিছু বিন্দু বিন্দু অশ্রু। যে কেউ একে এক কথায় নস্যাৎ করে দিতে পারেন, আমার কিছু বলার নেই, আমি সব মাথা পেতে নেব। কারণ এ হচ্ছে অন্ধের আঙুলের ব্যর্থ কিছু কাজ।</p>
<p>প্রচ্ছদ : কাইয়ুম চৌধুরী</p>


<p>No related posts.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%99%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সখী রঙ্গমালা</title>
		<link>http://boirboi.com/%e0%a6%b8%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://boirboi.com/%e0%a6%b8%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 23 Feb 2010 06:22:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[উপন্যাস]]></category>
		<category><![CDATA[প্রথমা প্রকাশন]]></category>
		<category><![CDATA[শাহীন আখতার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=283</guid>
		<description><![CDATA[দৈনিক সমকালের ২০/০২/২০১০ সংখ্যায় শাহীন আখতার নিজের বই নিয়ে যা লিখেছেন:
প্রেম ও যুদ্ধের কিংবদন্তির গল্প সখী রঙ্গমালা
আমার তৃতীয় উপন্যাস &#8216;সখী রঙ্গমালা&#8217;। দক্ষিণ সমতট অঞ্চলের একটি কিংবদন্তির কাহিনী উপজীব্য করে লেখা হয়েছে। এটি দুই শতাধিক বছর আগেকার একটি ঐতিহাসিক ঘটনাও বটে। যার কথা নোয়াখালী জেলার গেজেটিয়ারে উল্লেখ আছে। এ ঘটনা নিয়ে অজস্র গীত বাঁধা হয়েছে, পালাগান [...]


No related posts.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>দৈনিক সমকালের ২০/০২/২০১০ সংখ্যায় শাহীন আখতার নিজের বই নিয়ে যা লিখেছেন:<br />
<strong>প্রেম ও যুদ্ধের কিংবদন্তির গল্প সখী রঙ্গমালা</strong><br />
আমার তৃতীয় উপন্যাস &#8216;সখী রঙ্গমালা&#8217;। দক্ষিণ সমতট অঞ্চলের একটি কিংবদন্তির কাহিনী উপজীব্য করে লেখা হয়েছে। এটি দুই শতাধিক বছর আগেকার একটি ঐতিহাসিক ঘটনাও বটে। যার কথা নোয়াখালী জেলার গেজেটিয়ারে উল্লেখ আছে। এ ঘটনা নিয়ে অজস্র গীত বাঁধা হয়েছে, পালাগান রচিত হয়েছে বহুসংখ্যক। বিয়োগান্ত প্রেম, জমিদার পরিবারের গৃহবিবাদ, পরিণামে যুদ্ধ_ এসবই হয়তো সে সময়ের কবিদের গান রচনায় ও পালা বাঁধতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। তারা এ প্রেম ও সমরভিত্তিক গীত গেয়ে গেছেন যুগ যুগ ধরে। এর একটি ড. দীনেশচন্দ্র সেন পূর্ববঙ্গ গীতিকায় সংকলিত করেন। নাম &#8216;চৌধুরীর লড়াই&#8217;।<br />
সখী রঙ্গমালা উপন্যাসের নায়ক জমিদার নন্দন রাজচন্দ্র চৌধুরী। তার নারীপ্রীতির সুযোগ নিয়ে পিতৃব্য রাজেন্দ্র নারায়ণ তাকে নানাভাবে ঠকাচ্ছেন। কিন্তু রাজচন্দ্র যখন নিচু জাতের নরকন্যা রঙ্গমালার প্রেমে পড়ে তখন পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে ওঠে। ধূর্ত রাজেন্দ্র নারায়ণ, দাপুটে মা সুমিত্রা, পাখি পোষা বউ ফুলেশ্বরী, মোহময়ী রঙ্গমালাকে ঘিরে উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।<br />
এটি যে সময়ের কথা, তখন মানুষ বেচাকিনির রেওয়াজ ছিল আমাদের এখানে। খাস বান্দি যে, সে কড়ি দিয়ে কেনা হলেও দেখা যায় ঘটনা নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা নেয়। উপন্যাসে হীরা দাসীর চরিত্রটি যেমন। রাজবাড়ীর বউ ফুলেশ্বরীর নিয়তি বাঁধা পড়ে তার হাতে। হীরার জীবনেতিহাস আজকের নিরিখে বেশ চমকপ্রদ। আমাদের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলো এক সময় মগ-হার্মাদ জলদস্যুদের তা বে সন্ত্রস্ত ছিল। হীরার দিদিমা যজ্ঞেশ্বরী কুলীন ঘরের মেয়ে হলেও তাকে দেহ বেচে বাঁচার নতুন পথ খুঁজে নিতে হয়। কেননা সে হার্মাদদের হাতে লুণ্ঠিত হয়ে &#8216;ফিরঙ্গদোষ&#8217; নিয়ে গর্ভবতী অবস্থায় গাঁয়ে ফিরে আসে। সে সুবাদে হীরাকে দো-আঁশলাই বলা যায়। এ রকম নানাজনের পদচারণায় ও ভাষ্যে এ উপন্যাসের কাহিনী এগিয়ে গেছে। এখানে একক কোনো স্বর নেই। একজনের জবানিতে সব কথা বলে দেওয়ার প্রয়াস ছিল না।<br />
সখী রঙ্গমালা উপন্যাসের সময়কাল অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ। ঔপনিবেশিক শাসনামল সবে শুরু হয়েছে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেও তখনও দেশ চালানোর দায়িত্ব নেয়নি। কত বেশি খাজনা আদায় করা যায় সেদিকেই নব্য শাসকের নজর। সর্বত্র অরাজকতা। জোর যার মুলুক তার_ এ পরিস্থিতিতে তিলমাত্র সমস্যা তাল হতে বিলম্ব হলো না। বাবুপুর জমিদার বাড়ির জঙ্গ-ফ্যাসাদে জড়িয়ে যায় পাশাপাশি পরগনার এক মুসলমান জমিদার। এ পরিবারটির বিনাশ হওয়ার মধ্য দিয়ে প্রেমের কাহিনীটি আর নির্ভেজাল প্রেমের থাকে না, একের পর এক খ গুপ্তহত্যা ইত্যাদি শুরু হয়। উপন্যাস শেষ হয় ঠাঁই-নাড়া নিঃস্ব ফুলেশ্বরীকে দিয়ে।<br />
নদীভাঙার দেশ তৎকালীন ভুলুয়া। সুধারাম, শান্তাসীতা, নোয়াখালী, জুগিদিয়া নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নিমকের বড় বড় তাফাল সব উধাও। হারিয়ে যাওয়া রমরমা জনপদের কোলাহল কানের কাছে গুঞ্জরিত হয়েছে যে গ্রন্থপাঠে, তার মধ্যে শ্রী প্যারীমোহন সেনের নোয়াখালীর ইতিহাস (১৮৭৬), শ্রী কৈলাসচন্দ্র সিংহ প্রণীত রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস (১৮৭৬), ভেলাম ভান সেন্দেল সম্পাদিত দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় ফ্রান্সিস বুখানন (১৭৯৮) সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।<br />
দুই শতাধিক বছর আগেকার আখ্যান নিয়ে লেখা সখী রঙ্গমালা। দূর অতীতের অচেনা মানুষের জীবনাচার, ভাব-ভাষা ফুটিয়ে তুলতে সহায়ক হয়েছে দেশি-ভিনদেশি লেখকদের ভ্রমণকাহিনী, ডায়েরি, ইতিহাস, সাহিত্যসহ বেশকিছু আকরগ্রন্থ, পথ-চলতি মানুষের মুখের বুলি, পাখির গান। আমার তরফ থেকে সর্বদা বিপদসঙ্কেত জারি রাখতে হয়েছে, তথ্যের ভারে উপন্যাসের প্রাণ-পাখি যেন উড়ে না যায়। তাছাড়া সে সময়কার মানুষের দৈনন্দিনতার অনেক খুঁটিনাটির দিকে নজর রাখতে হয়েছে। যেমন কাপড়ের সিন্দুকের ডালা তুললে যে গন্ধ নাকে লাগবে তা ন্যাপথলিনের নয়, কর্পূরের গন্ধই হতে হবে। দরিয়ায় যে জাহাজ ভাসছে, তা কোনোক্রমে ইঞ্জিনচালিত হলে চলবে না। সেটি পালতোলা জাহাজই হবে। গায়ের সাজ-পোশাক, অলঙ্কার, ভাঁড়ারের তৈজসপত্র সব সে যুগেরই হওয়া চাই নামে এবং চেহারায়। পুরনো দিনের আবহ তৈরি করতে বর্তমানে অপ্রচলিত বেশকিছু শব্দও এখানে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে। যা পাঠককে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সাহায্য করবে_ আশা করি।<br />
দীর্ঘ কয়েকটি বছর শতাব্দী প্রাচীন মানুষের কাহিনী ভাষায় রূপ দিতে গিয়ে আজ মনে হয়, আমি নিজেও খানিকটা বর্তমান সময় থেকে সরে গেছি। কবে ফেরা হবে জানি না।</p>
<p>প্রচ্ছদ : শ্রী নৃত্যলাল দত্তের কাঠখোদাই অবলম্বনে<strong>প্রেম ও যুদ্ধের কিংবদন্তির গল্প সখী রঙ্গমালা</strong><br />
আমার তৃতীয় উপন্যাস &#8216;সখী রঙ্গমালা&#8217;। দক্ষিণ সমতট অঞ্চলের একটি কিংবদন্তির কাহিনী উপজীব্য করে লেখা হয়েছে। এটি দুই শতাধিক বছর আগেকার একটি ঐতিহাসিক ঘটনাও বটে। যার কথা নোয়াখালী জেলার গেজেটিয়ারে উল্লেখ আছে। এ ঘটনা নিয়ে অজস্র গীত বাঁধা হয়েছে, পালাগান রচিত হয়েছে বহুসংখ্যক। বিয়োগান্ত প্রেম, জমিদার পরিবারের গৃহবিবাদ, পরিণামে যুদ্ধ_ এসবই হয়তো সে সময়ের কবিদের গান রচনায় ও পালা বাঁধতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। তারা এ প্রেম ও সমরভিত্তিক গীত গেয়ে গেছেন যুগ যুগ ধরে। এর একটি ড. দীনেশচন্দ্র সেন পূর্ববঙ্গ গীতিকায় সংকলিত করেন। নাম &#8216;চৌধুরীর লড়াই&#8217;।<br />
সখী রঙ্গমালা উপন্যাসের নায়ক জমিদার নন্দন রাজচন্দ্র চৌধুরী। তার নারীপ্রীতির সুযোগ নিয়ে পিতৃব্য রাজেন্দ্র নারায়ণ তাকে নানাভাবে ঠকাচ্ছেন। কিন্তু রাজচন্দ্র যখন নিচু জাতের নরকন্যা রঙ্গমালার প্রেমে পড়ে তখন পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে ওঠে। ধূর্ত রাজেন্দ্র নারায়ণ, দাপুটে মা সুমিত্রা, পাখি পোষা বউ ফুলেশ্বরী, মোহময়ী রঙ্গমালাকে ঘিরে উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।<br />
এটি যে সময়ের কথা, তখন মানুষ বেচাকিনির রেওয়াজ ছিল আমাদের এখানে। খাস বান্দি যে, সে কড়ি দিয়ে কেনা হলেও দেখা যায় ঘটনা নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা নেয়। উপন্যাসে হীরা দাসীর চরিত্রটি যেমন। রাজবাড়ীর বউ ফুলেশ্বরীর নিয়তি বাঁধা পড়ে তার হাতে। হীরার জীবনেতিহাস আজকের নিরিখে বেশ চমকপ্রদ। আমাদের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলো এক সময় মগ-হার্মাদ জলদস্যুদের তা বে সন্ত্রস্ত ছিল। হীরার দিদিমা যজ্ঞেশ্বরী কুলীন ঘরের মেয়ে হলেও তাকে দেহ বেচে বাঁচার নতুন পথ খুঁজে নিতে হয়। কেননা সে হার্মাদদের হাতে লুণ্ঠিত হয়ে &#8216;ফিরঙ্গদোষ&#8217; নিয়ে গর্ভবতী অবস্থায় গাঁয়ে ফিরে আসে। সে সুবাদে হীরাকে দো-আঁশলাই বলা যায়। এ রকম নানাজনের পদচারণায় ও ভাষ্যে এ উপন্যাসের কাহিনী এগিয়ে গেছে। এখানে একক কোনো স্বর নেই। একজনের জবানিতে সব কথা বলে দেওয়ার প্রয়াস ছিল না।<br />
সখী রঙ্গমালা উপন্যাসের সময়কাল অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ। ঔপনিবেশিক শাসনামল সবে শুরু হয়েছে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেও তখনও দেশ চালানোর দায়িত্ব নেয়নি। কত বেশি খাজনা আদায় করা যায় সেদিকেই নব্য শাসকের নজর। সর্বত্র অরাজকতা। জোর যার মুলুক তার_ এ পরিস্থিতিতে তিলমাত্র সমস্যা তাল হতে বিলম্ব হলো না। বাবুপুর জমিদার বাড়ির জঙ্গ-ফ্যাসাদে জড়িয়ে যায় পাশাপাশি পরগনার এক মুসলমান জমিদার। এ পরিবারটির বিনাশ হওয়ার মধ্য দিয়ে প্রেমের কাহিনীটি আর নির্ভেজাল প্রেমের থাকে না, একের পর এক খ গুপ্তহত্যা ইত্যাদি শুরু হয়। উপন্যাস শেষ হয় ঠাঁই-নাড়া নিঃস্ব ফুলেশ্বরীকে দিয়ে।<br />
নদীভাঙার দেশ তৎকালীন ভুলুয়া। সুধারাম, শান্তাসীতা, নোয়াখালী, জুগিদিয়া নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নিমকের বড় বড় তাফাল সব উধাও। হারিয়ে যাওয়া রমরমা জনপদের কোলাহল কানের কাছে গুঞ্জরিত হয়েছে যে গ্রন্থপাঠে, তার মধ্যে শ্রী প্যারীমোহন সেনের নোয়াখালীর ইতিহাস (১৮৭৬), শ্রী কৈলাসচন্দ্র সিংহ প্রণীত রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস (১৮৭৬), ভেলাম ভান সেন্দেল সম্পাদিত দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় ফ্রান্সিস বুখানন (১৭৯৮) সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।<br />
দুই শতাধিক বছর আগেকার আখ্যান নিয়ে লেখা সখী রঙ্গমালা। দূর অতীতের অচেনা মানুষের জীবনাচার, ভাব-ভাষা ফুটিয়ে তুলতে সহায়ক হয়েছে দেশি-ভিনদেশি লেখকদের ভ্রমণকাহিনী, ডায়েরি, ইতিহাস, সাহিত্যসহ বেশকিছু আকরগ্রন্থ, পথ-চলতি মানুষের মুখের বুলি, পাখির গান। আমার তরফ থেকে সর্বদা বিপদসঙ্কেত জারি রাখতে হয়েছে, তথ্যের ভারে উপন্যাসের প্রাণ-পাখি যেন উড়ে না যায়। তাছাড়া সে সময়কার মানুষের দৈনন্দিনতার অনেক খুঁটিনাটির দিকে নজর রাখতে হয়েছে। যেমন কাপড়ের সিন্দুকের ডালা তুললে যে গন্ধ নাকে লাগবে তা ন্যাপথলিনের নয়, কর্পূরের গন্ধই হতে হবে। দরিয়ায় যে জাহাজ ভাসছে, তা কোনোক্রমে ইঞ্জিনচালিত হলে চলবে না। সেটি পালতোলা জাহাজই হবে। গায়ের সাজ-পোশাক, অলঙ্কার, ভাঁড়ারের তৈজসপত্র সব সে যুগেরই হওয়া চাই নামে এবং চেহারায়। পুরনো দিনের আবহ তৈরি করতে বর্তমানে অপ্রচলিত বেশকিছু শব্দও এখানে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে। যা পাঠককে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সাহায্য করবে_ আশা করি।<br />
দীর্ঘ কয়েকটি বছর শতাব্দী প্রাচীন মানুষের কাহিনী ভাষায় রূপ দিতে গিয়ে আজ মনে হয়, আমি নিজেও খানিকটা বর্তমান সময় থেকে সরে গেছি। কবে ফেরা হবে জানি না।</p>
<p>প্রচ্ছদ : শ্রী নৃত্যলাল দত্তের কাঠখোদাই অবলম্বনে</p>


<p>No related posts.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/%e0%a6%b8%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
