<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বই আর বই &#187; সাহিত্য প্রকাশ</title>
	<atom:link href="http://boirboi.com/category/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%95/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://boirboi.com</link>
	<description>বাংলাদেশের বইয়ের জগত</description>
	<lastBuildDate>Wed, 07 Apr 2010 07:34:29 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.9.2</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা: ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১</title>
		<link>http://boirboi.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b6%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://boirboi.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b6%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 17 Feb 2010 10:18:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[আনোয়ার কবির]]></category>
		<category><![CDATA[প্রামান্য দলিল]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য প্রকাশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=81</guid>
		<description><![CDATA[দৈনিক সমকালের ১৬/০২/২০১০ সংখ্যায় আনোয়ার কবির নিজের বই নিয়ে যা লিখেছেন:
সেনা হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান 
&#8216;সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১)&#8217; গ্রন্থটি মূলত আমার একই শিরোনামের সাড়ে ১০ ঘণ্টার প্রামাণ্যচিত্রের আরেকটি রূপ। ১৯৯০ সালে আমি সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত হই। খুব অল্প বয়সে এ ধরনের একটি দায়িত্বপূর্ণ মহান কর্মের সংস্পর্শে আসি। সাংবাদিকতায় আসার আগে আমাদের গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যেসব [...]


No related posts.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>দৈনিক সমকালের ১৬/০২/২০১০ সংখ্যায় আনোয়ার কবির নিজের বই নিয়ে যা লিখেছেন:<br />
<strong>সেনা হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান </strong><br />
&#8216;সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১)&#8217; গ্রন্থটি মূলত আমার একই শিরোনামের সাড়ে ১০ ঘণ্টার প্রামাণ্যচিত্রের আরেকটি রূপ। ১৯৯০ সালে আমি সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত হই। খুব অল্প বয়সে এ ধরনের একটি দায়িত্বপূর্ণ মহান কর্মের সংস্পর্শে আসি। সাংবাদিকতায় আসার আগে আমাদের গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যেসব গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল তার একটি বড় অংশের নিবিষ্ট পাঠক ছিলাম। তাই স্বাভাবিক কারণেই মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন বড় অপারেশন এবং এর নায়কদের একাত্তরের ভূমিকা সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা তৈরি হয়।<br />
এ কথা অনস্বীকার্য যে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ রাজনৈতিক নেতৃত্বের অধীনে সংঘটিত হলেও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা পরম গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেছিলেন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহযোগিতায় একটি ষড়যন্ত্রকারী অধঃপতিত রাজনৈতিক গ্রুপ ও সশস্ত্র বাহিনীর অংশ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। এ হত্যাকাণ্ডটি সশস্ত্র বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকাংশ সদস্য স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্ত করা তথা ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি জাতির ললাটে কলঙ্করেখা এঁকে দেয় এবং ক্ষমতার জোরে হত্যাকাণ্ডকে এক ধরনের বৈধতা জোগায়। পরবর্তী সময়ে &#8216;৮১ সাল পর্যন্ত আমরা সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যন্তরে একের পর এক মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সেক্টর ও অন্যান্য কমান্ডার মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীরউত্তম, লে. কর্নেল এটিএম হায়দার বীরউত্তম, লে. কর্নেল আবু তাহের বীরউত্তম, লে. জেনারেল জিয়াউর রহমান বীরউত্তম, মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর বীরউত্তম, সাব-সেক্টর কমান্ডার কর্নেল নাজমুল হুদা বীরবিক্রম, লে. কর্নেল মাহবুবুর রহমান বীরউত্তম, ব্রিগেডিয়ার মহসীন উদ্দিন আহম্মেদ বীরবিক্রম, কর্নেল নওয়াজেশ উদ্দিন, কর্নেল এমএ রশিদ বীরপ্রতীক, লে. কর্নেল দেলাওয়ার হোসেন বীরপ্রতীক, লে. কর্নেল মাহফুজুর রহমান বীরবিক্রম, সুবেদার মেজর চান মিয়া বীরপ্রতীক খেতাবধারীসহ অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা ফাঁসির মঞ্চে অথবা অস্বাভাবিকভাবে নিহত হয়েছেন। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, সশস্ত্র বাহিনীতে ফাঁসির মঞ্চে বা অস্বাভাবিকভাবে নিহত অথবা চাকরিচ্যুত হওয়া অধিকাংশই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এ সময়ের ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করলে মনে হবে_ এসব যেন মুক্তিযোদ্ধাদের নিধনীকরণের একটি সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া। সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের ফলাফল অথবা এর অন্তর্নিহিত রজনীতি বা ষড়যন্ত্র এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে বা সামরিক বাহিনী এ সময় একটি অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রে জড়িত অথবা শিকার হয়েছে।<br />
১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে এই যে হাজার হাজার সদস্য নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন, এ বিষয়ে প্রকাশ্য কোনো সরকারি ভাষ্য নেই। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোর্ট মার্শালে বিচারের কথা বলে দায় এড়ানোর একটি অপচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে। সশস্ত্র বাহিনীতে নিহত হওয়া সৈনিকদের লাশের হদিস তাদের অধিকাংশ পরিবার পায়নি। সরকারিভাবে অধিকাংশ পরিবারকে কোর্ট মার্শালে বিচার, ফাঁসি বা লাশের কোনো সন্ধান দেওয়া হয়নি। বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এ ব্যাপারে যে প্রতিবাদ অতীতে করেছিল, সেসব ছিল দায়সারাগোছের। এ প্রশ্নে বর্তমানে তাদের কোনো কার্যক্রমই নেই। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের স্বাধীন দেশে ২১ জুলাই &#8216;৭৬ সালে প্রথম ফাঁসির মঞ্চে জীবন উৎসর্গ করেছেন ১১নং সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল তাহের বীরউত্তম। এ প্রশ্নবোধক বিচারের মধ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে ফাঁসির যে সূচনা হয়েছিল সেটি সর্বশেষ &#8216;৮১ সালে গিয়ে থেমেছে। এই প্রামাণ্য গ্রন্থে মূলত বিচারের নামে এ হত্যাকাণ্ডগুলোকেই তুলে ধরা হয়েছে।<br />
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে সংঘটিত এ গণহত্যার ব্যাপারটিও ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্য নিয়ে সাংবাদিকতা জীবনের শুরু থেকে আমি চেষ্টা চালিয়েছি। হত্যাকাণ্ডের শিকার অফিসার সৈনিকদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সে সময়ের সশস্ত্র বাহিনীতে অবস্থানরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেছি। অত্যন্ত আশাবাদী হওয়ার বিষয় এই যে, সে সময়ের সশস্ত্র বাহিনীর অধিকাংশ সদস্যই যে ঘটনাগুলোকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারেননি তার প্রমাণ তারা বিভিন্ন সময় দেখিয়েছেন। যখনই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সুযোগ পেয়েছেন লেখালেখিসহ বিভিন্নভাবে এর বিরোধিতা করেছেন। অনেকে পুনর্বিচারসহ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এ গ্রন্থেই সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা ও সদস্য, পুনর্বিচার, তদন্ত, সরকারি ভাষ্যের দাবি করেছেন।<br />
আশা করি, এ প্রামাণ্যচিত্রের গ্রন্থভাষ্য প্রকাশনার মধ্য দিয়ে আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক নির্মম ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের দিকে দেশ এগিয়ে যাবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া, মানবাধিকার সংগঠন ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে জনমত গঠনে এগিয়ে আসবে_ এ প্রত্যাশা করি।</p>
<p>প্রচ্ছদ : অশোক কর্মকার</p>


<p>No related posts.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b6%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
