<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বই আর বই &#187; আকবর কবির</title>
	<atom:link href="http://boirboi.com/category/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%95/%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://boirboi.com</link>
	<description>বাংলাদেশের বইয়ের জগত</description>
	<lastBuildDate>Wed, 07 Apr 2010 07:34:29 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.9.2</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>আত্মকথা: স্মৃতি-বিস্মৃতির বাংলাদেশ</title>
		<link>http://boirboi.com/%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf/</link>
		<comments>http://boirboi.com/%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 21 Feb 2010 11:54:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[আকবর কবির]]></category>
		<category><![CDATA[পাঠক সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=202</guid>
		<description><![CDATA[বইটি সম্পাদনা করেছেন আবদুল মান্নান সৈয়দ।
বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে:
“অনেক আত্মজীবনী বের হচ্ছে এখন বাংলাদেশ থেকে। শুরু হয় আরো অনেক কিছুর মতো উনিশ শতাব্দীতে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচরিত বাঙালি পাঠক মাত্রেরই পরিচিত।
এই ধারারই সাম্প্রতিক কিন্তু ব্যতিক্রমী একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন আকবর কবির। ব্যতিক্রমী এজন্যে যে এই আত্মকথা কেবল লেখকের জীবনবৃত্তান্ত নয়—এদেশের একটি পরিবারের [...]


No related posts.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বইটি সম্পাদনা করেছেন আবদুল মান্নান সৈয়দ।</p>
<p>বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে:</p>
<p>“অনেক আত্মজীবনী বের হচ্ছে এখন বাংলাদেশ থেকে। শুরু হয় আরো অনেক কিছুর মতো উনিশ শতাব্দীতে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচরিত বাঙালি পাঠক মাত্রেরই পরিচিত।</p>
<p>এই ধারারই সাম্প্রতিক কিন্তু ব্যতিক্রমী একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন আকবর কবির। ব্যতিক্রমী এজন্যে যে এই আত্মকথা কেবল লেখকের জীবনবৃত্তান্ত নয়—এদেশের একটি পরিবারের কয়েক পুরুষের বংশানুক্রমিক ইতিবৃত্ত। ঠিক এরকম বই সাধারণত আমাদের চোখে পড়ে না। লেখক নিজে সবিনয়ে বইটিকে বলেছেন ‘পারিবারিক পরিচিতি বই’। পারিবারিক বটে, তবুও পারিবারিক বলয় অতিক্রম করে সামাজিক ইতিহাসের এক স্মরণীয় সাক্ষ্য হয়ে উঠেছে এই গ্রন্থ। বিশেষত আকবর কবিরের সহোদরগণ সকলেই কম-বেশি কৃতী ও বিশিষ্ঠ—যাঁদের মধ্যে হুমায়ুন কবির উজ্জ্বলতম।</p>
<p>আকবর কবিরের নিজস্ব জীবনধারা এবং ভাবনা-বেদনার সঙ্গে তাঁর আদর্শিকতা যুক্ত হয়ে বইটি একটি সপ্রাণ, আকর্ষক ও মহার্ঘ ইতিহাসে রূপান্তরিত হয়েছে।</p>
<p>আকবর কবিরের আত্মকথা-র মধ্যে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে বংশানুবৃত্তি ও পারিবারিক পরিচয়ের বাইরেও একটি আত্মআদর্শে উদ্বুদ্ধ ব্যক্তির দেশ-কাল-সমাজ-ভাবনা রূপায়িত।”</p>
<p>২.<br />
বইয়ের শুরুতে খুশী কবির ‘পরিবারের পক্ষ থেকে’ শীর্ষক একটি লেখা লিখেছেন। এতে তিনি আকবর কবির সম্পর্কে বলছেন: “বইয়ের লেখক আকবর কবির, আমার বাবা। যদিও তিনি প্রথাগত লেখক ছিলেন না, তাঁর বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন চিন্তাভাবনা মাঝেমধ্যেই লিখে রাখতেন, যার বহিঃপ্রকাশ প্রথম ঘটে ১৯৯১ সালে ছোট্ট একটি প্রকাশনা নানা বিষয় নামক গ্রন্থে।… আমার চাচা হুমায়ুন কবির, প্রচুর লিখে গেছেন যার প্রভাব এখনো বিরাজমান, তিনিও কখনো পারিবারিক ইতিহাস বা নিজের জীবনী লিখে যাননি। এটাই হলো কবির-পরিবারের প্রথম ইতিহাসভিত্তিক রচনা।… বাবা তাঁর নিজ পরিবারের সকল দায়িত্ব সম্পাদনের পর গ্রামে থাকতে শুরু করেন। সেখানে একটি সংস্থাও প্রতিষ্ঠা করেন এলাকার দরিদ্র নারী-পুরুষের উন্নয়নের লক্ষ্যে। এক সময় এই সংস্থার দায়িত্বও তাঁর উত্তসূরীদের হাতে তুলে দেন। বসে যান নিজের কথা, পরিবারের কথা, সমাজের কথা, সময় কাল ও জীবনের কথা লিখতে। তাঁর বয়স তখন আশিও ঊর্ধ্বে। একদিন আমাকে অনেক পাতার একটি পাণ্ডুলিপি দিয়ে টাইপ করে দেয়ার কথা বললেন। আমি এটার ব্যবস্থা করি। পরে আরো লেখা দেন, সেটাও টাইপ করিয়ে দিই। অবশ্য এটা পরে আর বোঝার অপেক্ষায় থাকে না যে, এটা প্রকাশ করার জন্য তিনি তিনি লিখেছেন।</p>
<p>লেখা যখন তাঁর শেষের দিকে এগিয়ে গেছে, সম্ভবত ১৯৯৯এর দিকে হবে, ডানা প্রকাশনার কর্ণধার লেখক শাহরিয়ার কবীর বাবার সাথে পাণ্ডুলিপি নিয়ে বেশ কয়েকবার বসেন।</p>
<p>কিছুদিন পর বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। নিজের হাতে আর লিখতে না-পারায় পাশের বাড়ির একজন দশম শ্রেণীর ছাত্রী বেশ ধৈর্য্য সহকারে বাবার ডিকটেশন নিত। বাবার কথা হয়তো তার বুঝতে অসুবিধা হতো, বা এই ধরনের লেখার অভ্যাস কম ছিল। অন্যদিকে বাবারও চিন্তার ধারাবাহিকতার ছন্দপতন ঘটেছিল—যা নিজের হাতে না লিখলে ঘটাটাই স্বাভাবিক।</p>
<p>যাই হোক লেখাগুলো আগের স্বচ্ছন্দ অবস্থান হারিয়ে ফেলে এবং লেখাগুলো বেশ এলোমেলো আর বোঝার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সমস্যা হয়ে পড়ে। বাবা তখন বলেছিলেন লেখাগুলো আরো অন্তত দশ বছর আগে শুরু করা উচিত ছিল। ২০০১এর সেপ্টেম্বরে বাবা আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর পরে আর লেখায় হাত দেবার মতো অবস্থাও ছিল না—মনও ছিল না। কিন্তু বই প্রকাশ হোক সেটা চাইতেন।… অধ্যাপক আবদুল মান্নান সৈয়দ অভাবনীয় দক্ষতার সাথে সম্পাদনার কাজটি সম্পূর্ণ করেছেন। আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।…</p>
<p>বাবা নেই, কিন্তু তাঁর ও তাঁদের সময়ের কিছু মানুষের চিন্তা, জীবনের অভিজ্ঞতা, একটি মুক্তচিন্তার ব্যতিক্রম বাঙালি পরিবারের জীবনকথা এই গ্রন্থে বাবা লিখে যাওয়াতে আমরা যারা এখন বর্তমান এবং নানা অস্পষ্ট অবস্থানে আছি তাদের জন্য এ বইটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে—এটা আমাদের বিশ্বাস।”</p>


<p>No related posts.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
