<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বই আর বই &#187; যতীন সরকার</title>
	<atom:link href="http://boirboi.com/category/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%95/%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://boirboi.com</link>
	<description>বাংলাদেশের বইয়ের জগত</description>
	<lastBuildDate>Wed, 07 Apr 2010 07:34:29 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.9.2</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>প্রাকৃতজনের জীবনদর্শন</title>
		<link>http://boirboi.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6%e0%a6%a8/</link>
		<comments>http://boirboi.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6%e0%a6%a8/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 24 Feb 2010 02:14:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[দর্শন]]></category>
		<category><![CDATA[যতীন সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[শোভা প্রকাশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://boirboi.com/?p=322</guid>
		<description><![CDATA[দৈনিক সমকালে ১১/০২/২০১০ সংখ্যায় যতীন সরকার নিজের বই নিয়ে যা লিখেছেন:
প্রকৃতির সঙ্গে প্রাকৃতজনের সম্পর্ক
প্রাকৃতজনের জীবনদর্শন বইটিতে প্রকৃতির সঙ্গে প্রাকৃতজনের সম্পর্ক নির্মাণের চেষ্টা করেছি। প্রথম প্রবন্ধের নাম &#8216;প্রকৃতির প্রকৃত তাৎপর্য এবং আমাদের সংস্কৃতি&#8217;। প্রাচীন ভারতের প্রাকৃতজনের দর্শন ও আয়ুর্বেদ শাস্ত্র। আয়ুর্বেদই হচ্ছে প্রাচীন ভারতের একমাত্র বস্তুবিজ্ঞান। সেই বস্তু বিজ্ঞানের ওপর ভিত্তি করেই প্রাচীন ভারতের বস্তুবাদী দর্শনের [...]


No related posts.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>দৈনিক সমকালে ১১/০২/২০১০ সংখ্যায় যতীন সরকার নিজের বই নিয়ে যা লিখেছেন:<br />
<strong>প্রকৃতির সঙ্গে প্রাকৃতজনের সম্পর্ক<br />
</strong>প্রাকৃতজনের জীবনদর্শন বইটিতে প্রকৃতির সঙ্গে প্রাকৃতজনের সম্পর্ক নির্মাণের চেষ্টা করেছি। প্রথম প্রবন্ধের নাম &#8216;প্রকৃতির প্রকৃত তাৎপর্য এবং আমাদের সংস্কৃতি&#8217;। প্রাচীন ভারতের প্রাকৃতজনের দর্শন ও আয়ুর্বেদ শাস্ত্র। আয়ুর্বেদই হচ্ছে প্রাচীন ভারতের একমাত্র বস্তুবিজ্ঞান। সেই বস্তু বিজ্ঞানের ওপর ভিত্তি করেই প্রাচীন ভারতের বস্তুবাদী দর্শনের বিকাশ ঘটেছিল। সেই বস্তুবিজ্ঞানই নানা শাখা-প্রশাখায় প্রসারিত হয়ে যে বস্তুবাদী দর্শনের পত্তন ঘটে তারই ধারাবাহিকতা এখনও প্রবহমান। সেই প্রবহমান দর্শন সম্পর্কেই বাংলার প্রাকৃতজনের দর্শন নামে একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ বইটিতে সংযোজন করেছি। বিগত শতকে ত্রিশ ও চলি্লশের দশকে গুরু সদয় দত্ত যে ব্রতচারী আন্দোলনের চেষ্টা করেছিলেন তাতেও ওই প্রাকৃতজনের দর্শনই রূপ লাভ করেছিল। এ কথাটি আমি বলতে চেষ্টা করেছি, নবপর্যায়ে ব্রতচারী আন্দোলন একালের প্রাকৃতজন প্রবন্ধটিতে। বাংলাদেশের &#8216;গাঢ় সমাজ; তাদের আদি ধর্ম ও বর্তমান ধর্ম&#8217; প্রবন্ধটি আমাদের আদি পুরুষদের বিশ্বাস ও জীবনাচরণের ইতিবৃত্ত। প্রকৃতির প্রকৃত তাৎপর্য অন্বেষণের মধ্য দিয়েই বিজ্ঞানকে প্রকৃতভাবে উপলব্ধি করা যায় এবং সংস্কৃতিরও স্বরূপ সন্ধান করা চলে। প্রকৃত দায়বোধ থেকেই এই প্রবন্ধগুলো আমি লিখেছি। এই বইটিতে উপমহাদেশের চিন্তার বিভিন্ন ভূগোলের ওপর আলো ফেলতে আমি চেষ্টা করেছি।<br />
আমাদের চিন্তা ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অন্বেষণে আমি উপমহাদেশের চিন্তার দিক-দিগন্তে বিচরণ করেছি। প্রকৃতিই যে সংস্কৃতির জননী এ কথাটির ওপরে আমি বিশেষ জোর দিয়েছি। প্রকৃতি সংলগ্ন চিন্তায় প্রাকৃতজনের দর্শন মানুষে মানুষে জাতি-বর্ণ বিভেদের চিন্তা কোনো মতেই প্রকৃতিসঙ্গত নয়। কিন্তু স্বার্থান্বেষী ক্ষমতালোভী মহল সব সময়ই এই প্রকৃতিসঙ্গত সত্যকে আড়াল করতে চেষ্টা করেছে। আমি আমার এই বইয়ে সেই আড়াল ভাঙার চেষ্টা করেছি। বেদকে ধর্মগ্রন্থ বলেই বিবেচনা করা হয় কিন্তু আমি তা মনে করি না। বেদ মানেই হচ্ছে বিদ্যা। একটা সময় ও সমাজের চিন্তার ইতিবৃত্তই প্রাচীন ভারতের বেদে বিধৃত হয়ে আছে।<br />
আমি সেই বেদের কথা মনে রেখেই আস্তিকতা ও নাস্তিকতা শব্দ দুটোর অন্যতম অর্থ নিষ্কাশনে প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছি।<br />
&#8216;ঈশ্বর সন্ধান, ঈশ্বর দর্শন, ঈশ্বর নির্মাণ&#8217; প্রবন্ধটিতে আমি আমার নিজস্ব চিন্তাকে রূপ দিতে চেষ্টা করেছি। সব পাঠকই যে আমার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হবেন, এরূপ আমি মনে করি না। তবে সহৃদয় পাঠকবৃন্দ যে আমার বক্তব্যে আলোড়িত হবেন, এমনটি আমি বিনীতভাবেই বিশ্বাস করি। আশা করি, সমালোচকবৃন্দ আমার এই বইটিকে উপেক্ষা করবেন না।</p>
<p>প্রচ্ছদ : ধ্রুব এষ</p>


<p>No related posts.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://boirboi.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
